চোখের সামনে মেয়ে-জামাই আর বন্ধুর ছেলেকে তলিয়ে যেতে দেখে বড় অসহায় বোধ বাবার। বাঙালির অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সমুদ্র সৈকত মন্দারমনি।দিঘার কাছেই মন্দারমনির সমুদ্র সৈকতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। সেখানেই স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন…
চোখের সামনে মেয়ে-জামাই আর বন্ধুর ছেলেকে তলিয়ে যেতে দেখে বড় অসহায় বোধ বাবার। বাঙালির অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সমুদ্র সৈকত মন্দারমনি।দিঘার কাছেই মন্দারমনির সমুদ্র সৈকতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। সেখানেই স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন তিনজন। উদ্ধার হয়েছে এক নাবালকের দেহ।সোমবার বিকেল ৪ টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ২৪ বছর বয়সী এক যুবক ও তাঁর স্ত্রী (১৮) সাঁতার কাটতে নেমেছিলেন। সঙ্গে ১০ বছরের এক নাবালকও ছিল।
সোমবার বিকেলেই উদ্ধার হয়েছিল সোমনাথ হালদারের (৭) দেহ। কিন্তু নিখোঁজ ছিলেন দম্পতি। মঙ্গলবার সকালে জলধা ঘাট থেকে উদ্ধার হলো এক মহিলার দেহ। পরিবারের সদস্যরা সেই দেহটি বৃষ্টি শীলের (১৯) বলে শনাক্ত করেছেন। এখনও নিখোঁজ তাঁর স্বামী সুমন শীল (২৪)। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ।
ঘটনার পরে থেকে শোকে আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছেন বৃষ্টির বাবা গণেশ দেবনাথ। তিনি বলেন, ‘চোখের সামনে মেয়ে-জামাই আর বন্ধুর ছেলেকে তলিয়ে যেতে দেখে বড় অসহায় বোধ করছি। বাড়ির লোকজনকে কী জবাব দেবো, বুঝতে পারছি না।’
ইতিমধ্যে সমুদ্রে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ যুবকের খোঁজে তল্লাশি চলছে। নজরদারিও অনেক বাড়ানো হয়েছে।’
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তাদের বাড়ি নদিয়া জেলায়। নাবালকের বাড়ি কৃষ্ণনগরে এবং বাকি দুজনের বাড়ি শান্তিপুরে। স্নান করতে করতেই সবার চোখের সামনে তলিয়ে যান তাঁরা তিনজনই।তড়িঘড়ি নুলিয়ারা উদ্ধারকাজে হাত লাগান। মন্দারমণি থানার পুলিশ ও নুলিয়াদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। চলছে উদ্ধারকাজও।নাবালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকি দুজনের খোঁজ এখনও চলছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বারবার মাইকিংও করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটক ও হোটেল অ্যাসোসিয়েশনকেও সতর্ক করা হয়েছিল।

No comments