সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা আগে থেকেই জানা অত্যন্ত জরুরি।রান্না করতে গিয়ে মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া কি অসুবিধা তা গৃহকর্মীরা জানেন ।কিন্তু ভারী সিলিন্ডার হাতে তুলে বা ঝাঁকিয়ে তার সঠিক ওজন আন্দাজ করা বেশিরভাগ মা…
সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা আগে থেকেই জানা অত্যন্ত জরুরি।রান্না করতে গিয়ে মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া কি অসুবিধা তা গৃহকর্মীরা জানেন ।কিন্তু ভারী সিলিন্ডার হাতে তুলে বা ঝাঁকিয়ে তার সঠিক ওজন আন্দাজ করা বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। এর থেকে বাঁচার সহজ উপায় আছে । সিলিন্ডারের গায়ে গরম জল ঢালা হয়ে গেলে মাত্র ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় অপেক্ষা করতে হবে। এরপর যে দিক দিয়ে জল ঢালা হয়েছে, সেই অংশটিতে উপর থেকে নীচের দিকে হাত বুলিয়ে অনুভব করুন। সিলিন্ডারের ঠিক যে অংশে হাত দিলে তাপমাত্রা বদলে গরম থেকে ঠান্ডা লাগবে, বুঝে নেবেন ঠিক সেই স্তর পর্যন্তই তরল গ্যাস মজুত রয়েছে।সিলিন্ডারের ভেতরে থাকা লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি মূলত উচ্চ চাপে তরল অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। এই তরল অংশটি সিলিন্ডারের দেওয়াল থেকে দ্রুত তাপ শোষণ করে নেয় বলে সেই জায়গাটি স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয়ে যায়। অন্যদিকে যে অংশে গ্যাস থাকে না বা খালি হয়ে গিয়েছে, সেই খালি অংশটি গরম জলের তাপ ধরে রেখে বেশ কিছুক্ষণ উষ্ণ থাকে।
সিলিন্ডারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত হাত বুলিয়ে যদি কোনও তাপমাত্রার ফারাক না পাওয়া যায় এবং পুরোটাই সমান গরম লাগে, তবে সতর্ক হতে হবে। এর স্পষ্ট অর্থ হল সিলিন্ডারের মজুত গ্যাস প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত নতুন সিলিন্ডারের বুকিং সেরে নেওয়া দরকার।

No comments