হলদিয়া বন্দরে নতুন পালক সংযোজনে অভিবাসন চেকপয়েন্ট বা ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্ট পরিষেবা চালু হতে চলেছে হলদিয়া বন্দরে ।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া বন্দরকে ৪১তম অভিবাসন চেকপয়েন্ট বা ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্ট হিসেবে ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বর…
হলদিয়া বন্দরে নতুন পালক সংযোজনে অভিবাসন চেকপয়েন্ট বা ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্ট পরিষেবা চালু হতে চলেছে হলদিয়া বন্দরে ।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া বন্দরকে ৪১তম অভিবাসন চেকপয়েন্ট বা ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্ট হিসেবে ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অতীতে চল্লিশটি বন্দরে ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট ছিল। সেই তালিকায় হলদিয়ায় নতুন সংযোজন হলো হলদিয়া বন্দর। এর ফলে এ বার থেকে ইমিগ্রেশন অফিসাররা হলদিয়া বন্দরে ভিসা ও পাসপোর্ট চেক করবেন।এর ফলে আর্থসামাজিক আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে তাঁর মত বিশেষজ্ঞদের ।হলদিয়া বন্দরে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্যবাহী জাহাজ আসে। যেহেতু হলদিয়া বন্দরে ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট ছিল না, সেই কারণে অন্য দেশের নাবিকরা বা জাহাজের কর্মীরা বন্দরে নামতে পারতেন না। এ বার থেকে ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্টে ভিসা এবং পাসপোর্ট পরীক্ষা করিয়ে তাঁরা বন্দরে নামতে পারবেন। শিল্পশহর হলদিয়ায় তারা কেনাকাটা করতে ঘুরতে পারবেন ।এই বিষয়ে সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী জানান, এটা রাজ্যবাসীর কাছে এটা একটা বিরাট পাওনা। এই সিদ্ধান্ত হলদিয়া বন্দরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘এটা বড় পাওয়া আমাদের কাছে। আরও উন্নয়ন হবে। দাদনপাত্রবাড়েও গভীর সমুদ্র বন্দর হবে। আরও অর্থনৈতিক উন্নতি হবে।’

No comments