দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। আর তার ঠিক আগেই সল্টলেকের আইপ্যাক দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অতর্কিত হানা বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হল। খবর পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রণংদেহী মেজাজে স্পটে পৌঁছে যাওয়…
দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। আর তার ঠিক আগেই সল্টলেকের আইপ্যাক দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অতর্কিত হানা বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হল। খবর পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রণংদেহী মেজাজে স্পটে পৌঁছে যাওয়া তৃণমূলের নবীন প্রজন্মের কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছে। লড়াকু মমতাকে যাঁরা চাক্ষুষ করেননি, তাঁদের কাছে এই ‘স্ট্রিট ফাইটিং’ ইমেজ বাড়তি টনিকের কাজ করছে। দলের এক নেতার কথায়, "বিজেপি ভেবেছিল ভয় দেখাবে, কিন্তু দিদি প্রমাণ করে দিলেন তিনি মাঠ ছাড়ার পাত্রী নন।"রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলকে কোণঠাসা করতে গিয়ে উল্টে ঘাসফুল শিবিরের পালেই হাওয়া তুলে দিল না তো কেন্দ্রীয় এজেন্সি? যে তৃণমূল নেতারা এতদিন কিছুটা ‘গা এলানো’ মেজাজে ছিলেন, ইডি-র এই ‘অতি সক্রিয়তা’ তাঁদের ফের যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দিল। কর্মীরা বুঝলেন, লড়াইটা শুধু বিজেপির সঙ্গে নয়, সরাসরি দিল্লির কুর্সির বিরুদ্ধেও।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইডি-র এই অভিযান তৃণমূলের অন্দরের ছোটখাটো ক্ষোভ ধুয়ে মুছে দলকে ফের এককাট্টা করে দিল। ভোটের ময়দানে এই ‘সহানুভূতি’র ঢেউ বিজেপির জয়ের স্বপ্নে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় কি না, উত্তর দেবে ব্যালট বাক্স।
পাল্টা সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, "দুর্নীতি ঢাকতেই তড়িঘড়ি আইপ্যাক অফিসে ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর হাতে কী ফাইল ছিল? ওঁর পদত্যাগ নয়, গ্রেফতারি চাই।" বিজেপির অভিযোগ, তদন্তে বাধা দিতেই মুখ্যমন্ত্রী সাংবিধানিক পদের তোয়াক্কা না করে কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

No comments