৭ সন্তানের ডাক পড়েছে ওই প্রৌঢ়ের। তাঁকেও তলব করা হয়েছে। পরিবারের নথিপত্র ওই ট্রাঙ্কের মধ্যেই থাকে। সেজন্য গন্ধমাদন পর্বতের মতো ট্রাঙ্কই মাথায় নিয়েই হাজির হলেন তিনি। সাড়া ফেলে দেওয়া ওই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে।এবার …
৭ সন্তানের ডাক পড়েছে ওই প্রৌঢ়ের। তাঁকেও তলব করা হয়েছে। পরিবারের নথিপত্র ওই ট্রাঙ্কের মধ্যেই থাকে। সেজন্য গন্ধমাদন পর্বতের মতো ট্রাঙ্কই মাথায় নিয়েই হাজির হলেন তিনি। সাড়া ফেলে দেওয়া ওই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে।এবার আস্ত ট্রাঙ্ক নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে আসার ঘটনা ঘটল। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের কেন্দ্যামারী জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি প্রৌঢ় শেখ সইফুদ্দিনের। কিছুদিন আগে জানা যায়, এসআইআরের শুনানিতে সইফুদ্দিন ও তাঁর সাত সন্তানকে তলব করা হয়েছে। আজ, রবিবার তাঁদের শুনানিতে যাওয়ার কথা ছিল।
নির্দিষ্ট সময় ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩০ নম্বর বুথে শুনানি শুরু হয়েছিল। সকলকে হতবাক করে সইফুদ্দিন এক বিশাল বড় ট্রাঙ্ক মাথায় করে সেখানে হাজির হন। শুনানি কেন্দ্রে তখন বহু মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে। ঘরের ভিতর আধিকারিকরাও কাজ করছিলেন। ওই ঘটনা দেখে তাঁরাও হতবাক হয়ে যান। কিন্তু কী আছে ওই ট্রাঙ্কে? জানা যায়, ওখানেই আছে সব নথিপত্র।একাধিক নথি খুঁজে বার করতে কালঘামও ছুটেছিল! এদিকে অত নথি আলাদা করে নিয়ে যাওয়ার সময় হারানোর আশঙ্কাও থাকতে পারে। সেসব সাতপাঁচ ভেবেই ওই সিদ্ধান্ত। নথিপত্র-সমেত ওই বিশাল ট্রাঙ্কটি মাথায় চাপিয়ে শুনানি কেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছিলেন প্রৌঢ়।

No comments