দীপক পন্ডা :-নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রার্থী হাসির রানি রথকে নিয়ে হলদিয়ায় কদম তলায় জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী ।নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল ।নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী নিহত চন্দ…
দীপক পন্ডা :- নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রার্থী হাসির রানি রথকে নিয়ে হলদিয়ায় কদম তলায় জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী ।নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল ।নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা প্রার্থী হলেন হাসি রানী রথ । নন্দীগ্রামে বিজেপির পোড় খাওয়া নেতা মেঘনাথ পাল প্রলয় পাল অন্যান্য নেতৃত্বরা থাকলেও তাদেরকে প্রার্থী করা হয়নি ।নন্দীগ্রামে বিজেপি এমন ব্যবধানে জিতবে, যা কেউ কখনও কল্পনাও করেননি। দলীয় প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে হলদিয়ায় সভা করে এমনই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী।হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাসিরানি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়। তার আগে তাঁর সমর্থনে হলদিয়ার কদমতলায় সভা করেন শুভেন্দু। ঢাক ঢোল সহযোগে সহযাত্রা করে হলদিয়া মহকুমা শাসকের অফিসে মনোনয়ন ।
নন্দীগ্রামে বিজেপি এমন ব্যবধানে জিতবে, যা কেউ কখনও কল্পনাও করেননি । দলীয় প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে হলদিয়ায় সভা করে এমনই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘুদেরও বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘আপনারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকতে চান কি না’, এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু জানালেন, নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচন আদতে সংখ্যালঘুদের কাছে একটি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় তাঁরা পাশ করবেন না ফেল করবেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁদেরই নিতে হবে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথকে। আর রেজিনগরে শাখারভ সরকারকে। এ দিন হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাসিরানি মনোনয়ন জমা দেবেন। তার আগে তাঁর সমর্থনে হলদিয়ার কদমতলায় সভা করেন শুভেন্দু। সেখানে তিনি বলেন, ‘চন্দ্রনাথ রথের সবচেয়ে বড় অপরাধ, উনি আগের বিরোধী দলনেতা (অর্থাৎ স্বয়ং শুভেন্দু)-কে সাহায্য করতেন। তাই তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই চন্দ্রনাথ রথের মা-কে আমরা প্রার্থী করেছি।’
শুভেন্দু আগেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন, রাজ্যের বিধানসভা ভোটের পরে ফলতা পুনর্নির্বাচনে বিজেপি যে ব্যবধানে জিতেছিল, নন্দীগ্রামে তার চেয়েও বেশি ব্যবধানে জিতবে। মঙ্গলবার আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোট আমি করাতে জানি। আজ বলে গেলাম, এমন মার্জিনে নন্দীগ্রামে বিজেপি জিতবে, যেটা কখনও কেউ কল্পনা করতে পারিনি। বাকিটা সময় কথা বলবে।’
এর পরেই সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘যাঁরা আমাকে ভোট দেন না, বিজেপিকেও দেন না, মানে সংখ্যালঘুরা, তাঁদের কিছু বলতে চাই। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের কাছে একটা আবেদন করে শেষ করব। একটা সুযোগ এসেছে আপনাদের কাছে। আপনারা সরকারের সঙ্গে থাকবেন কি না? আপনারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকতে চান কি না? হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান কি না? ৬ অক্টোবর, রেজিনগর আর নন্দীগ্রামে আপনাদের পরীক্ষা। আপনারা পরীক্ষায় পাশ করবেন না ফেল করবেন, আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।

No comments