বারুইপুর নাবালিকা নির্যাতন ও খুন মামলায় এক নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর মোড়। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হলো মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালানোর মরিয়া চেষ্টা এবং পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিন…
বারুইপুর নাবালিকা নির্যাতন ও খুন মামলায় এক নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর মোড়। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হলো মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালানোর মরিয়া চেষ্টা এবং পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালানোর জেরেই পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয় বাহিনী। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত তখন আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিট। বারুইপুর থানার পুলিশ ও তদন্তকারী দল ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উদ্দেশ্য ছিল, ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা এবং অপরাধের সূত্রগুলো মিলিয়ে নেওয়া।
আচমকাই পুলিশের ওপর চড়াও হয় ধৃত অভিযুক্ত। অত্যন্ত অতর্কিতে এক পুলিশকর্মীর হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
পাল্টা গুলি ও এনকাউন্টার: আত্মরক্ষার্থে এবং অপরাধীকে রুখতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রভাস।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই প্রভাসের মৃত্যু হয়েছিল বলে অনুমান চিকিৎসকদের।

No comments