হলদিয়ার অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে যাওয়ার ঘটনায় হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে শেষমেষ ৯জন ভর্তি ছিল । হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ,ভর্তি থাকা তাদের মধ্যে ৫জনকে হলদিয়া পেট্রোমিকেল নিজ দায়িত্বে অন্যত্র নিয়ে যায় ।ভালো চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তাদের…
হলদিয়ার অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে যাওয়ার ঘটনায় হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে শেষমেষ ৯জন ভর্তি ছিল । হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ,ভর্তি থাকা তাদের মধ্যে ৫জনকে হলদিয়া পেট্রোমিকেল নিজ দায়িত্বে অন্যত্র নিয়ে যায় ।ভালো চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তাদেরকে অন্যত্র নিয়ে যায় বলে জানা গেছে ।এরপরে হলদিয়া মহাকুমা হাসপাতালে আর ৪ জন অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে যাওয়ার ভর্তি রইলো ।
প্রসঙ্গত ,হলদিয়ার অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে গিয়েছেন অন্তত ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে যে ৯ জনকে তমলুক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সকলকেই কলকাতায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে চার জনকে এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত এসএসকেএম-এর ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা।ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে ।অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। ঘটনার দিন সকালেই তিনি ফোন করেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ বিজলিকে। পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন তাঁর কাছ থেকে। তবে কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানতে পারা যায়নি ।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ পাইপলাইন থেকে ন্যাপথা লিক হওয়ার তত্ত্ব তুলে ধরছেন। তাঁদের বক্তব্য, সম্ভবত পাইপলাইন থেকে ন্যাপথা লিক হয়েছিল। তার পরে ভোরের দিকে বৃষ্টিও হয় এলাকায়। ওই সময়ে বজ্রপাতও হয়েছিল। তার জেরেই অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকতে পরে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধায়কের কথায়, আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তা প্রায় আধ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও প্রকৃত কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল জানিয়েছে, পাইপ লিক হওয়ার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থেকে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দিয়েছে তারা। বিনা অনুমোদনে পেট্রোপণ্য নাড়াচাড়া না-করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে এলাকাবাসীদের।পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নীরঞ্জন কুমার জানান, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার পর অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু করেছে।এখনই কিছু বলতে পারা যাবে না ।
হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস কর্তৃপক্ষও প্রাথমিক ভাবে মনে করছেন, পাইপ লিক হয়েই সম্ভবত দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।বলা হয়েছে, ন্যাপথা অত্যন্ত দাহ্য এবং বিপজ্জনক হাইড্রোকার্বন। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এড়াতে অনুমোদনহীন উপায়ে পেট্রোপণ্য সংগ্রহ না করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের বার বার সতর্ক করা হয় বলেও জানিয়েছে তারা।

No comments