গত ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলার ডুবি মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাজ্য সরকার ও কোস্ট গার্ডের যৌথ তল্লাশিতে শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের বাঘের চক থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শঙ্করপুর মৎ…
গত ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলার ডুবি মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাজ্য সরকার ও কোস্ট গার্ডের যৌথ তল্লাশিতে শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের বাঘের চক থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শঙ্করপুর মৎস্য বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে সমুদ্রে যায় ‘জয় মা কালী’ ট্রলার।এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ১১ জনের মৃতদেহ। মৎস্যজীবী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। স্বজনহারা পরিবারগুলির ভরসা দিতে বুধবার বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । নিহতদের পরিবারপিছু দেওয়া হবে পাঁচ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য। সেই সঙ্গে সংসারের স্থায়ী উপার্জনের জন্য পরিবারের এক সদস্যকে দেওয়া হবে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি।শনাক্তকরণের জন্য শুরু হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষা। চার জন এখনও নিখোঁজ। এমন ভয়াবহ সঙ্কটে সরকারের এই জরুরি ঘোষণা পরিবারগুলিকে লড়াইয়ের নতুন আলো দেখাচ্ছে। রাজ্য সরকারের এই দ্রুত ও মানবিক সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপকূলের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়।
জানা গিয়েছে, আগামী রবিবার রামনগর ১ ব্লক অফিস থেকে ক্ষতিপূরণের চেক বণ্টন করা হবে। মৃতদের মধ্যে যাঁরা ওড়িশার বাসিন্দা ছিলেন, তাঁদের পরিবারকেও ওড়িশা সরকার আর্থিক ও সামাজিক সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

No comments