অনলাইন পোর্টালে ‘Application Rejected’ লেখা ছাড়া আর কোনও সদুত্তর মিলছে না। ফলে ক্ষোভ ও হতাশায় ফুঁসছেন রাজ্যের মহিলারা।সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তাঁরা প্রত্যেকেই এই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধ…
অনলাইন পোর্টালে ‘Application Rejected’ লেখা ছাড়া আর কোনও সদুত্তর মিলছে না। ফলে ক্ষোভ ও হতাশায় ফুঁসছেন রাজ্যের মহিলারা।সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তাঁরা প্রত্যেকেই এই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বহু সাধারণ পরিবারের আবেদনও নাকচ হয়ে গেছে।এই বিভ্রান্তি কাটাতে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা বা 'হেল্পলাইন' এখনও সক্রিয় করা হয়নি। সাধারণ মহিলাদের অভিযোগ, অন্নপূর্ণা যোজনায় অনলাইন বনাম অফলাইনের এই জটিল যাঁতাকলে পড়ে তাঁদের হয়রানি চরমে উঠেছে।সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তাঁরা প্রত্যেকেই এই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বহু সাধারণ পরিবারের আবেদনও নাকচ হয়ে গেছে।
গ্রামীণ ও শহরতলির বহু এলাকায় দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত দুঃস্থ ও গরিব মহিলারা যখন রিজেকশনের খাঁড়া মাথায় নিয়ে ঘুরছেন, তখন আইনের ফাঁক গলে বহু বড় ব্যবসায়ী ও সরকারি চাকরিজীবীদের পরিবার অনায়াসে এই সুবিধা পেয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় স্তরে ‘প্রভাব’ খাটিয়ে বহু সচ্ছল পরিবার নিজেদের নাম এই তালিকায় তুলে নিয়েছে এবং তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকাও ঢুকছে। প্রতিবেশীদের চোখের সামনে এই ধরণের বেনিয়ম চলায় সাধারণ মানুষের হতাশা ও ক্ষোভ আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।
আপাতত লক্ষ লক্ষ বঞ্চিত মহিলার একটাই দাবি— সরকার অবিলম্বে আবেদন বাতিলের প্রকৃত কারণ জনসমক্ষে আনুক এবং যাঁরা পঞ্চায়েতের গাফিলতিতে বাদ পড়েছেন, তাঁদের জন্য পুনরায় স্বচ্ছভাবে আবেদনের রাস্তা খুলে দেওয়া হোক। নবান্ন এখন এই ড্যামেজ কন্ট্রোল কীভাবে করে, সেটাই দেখার।বিরোধী দলগুলি ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করেছে।

No comments