মহকুমা শাসকের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের পর অবৈধ জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে এমনই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী। হলদিয়া শিল্পাঞ্চলকে জঞ্জাল ও জবরদখলমুক্ত করতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন।উত্তরপ্র…
মহকুমা শাসকের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের পর অবৈধ জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে এমনই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী। হলদিয়া শিল্পাঞ্চলকে জঞ্জাল ও জবরদখলমুক্ত করতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন।উত্তরপ্রদেশের কায়দায় হলদিয়াতেও চলতে চলেছে ‘বুলডোজার’। মহকুমা শাসকের দপ্তরে একটি হাইপ্রোফাইল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পুরসভা, হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদ ছাড়াও গণপূর্ত দপ্তর (PWD), স্বাস্থ্য দপ্তর, ট্রাফিক, পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। হলদিয়ার নিকাশি ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ক্যানেল ও কালভার্টের ওপর গড়ে ওঠা বেআইনি নির্মাণ ও মেছোভেড়িগুলোকেও দ্রুত সাফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ফুটপাথ ও রাস্তা সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করতে এবার মরিয়া প্রশাসন। তার জন্য ইতিমধ্যেই বুলডোজার গাড়ি ভাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ।ফুটপাথে যারা অবৈধভাবে দোকান বা ঝুপড়ি করে বসে রয়েছেন, তাদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।পুরসভা এবং হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের (HDA) যৌথ উদ্যোগে ইতিমধ্যেই এলাকায় মাইক প্রচার শুরু হয়েছে। বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, "উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার জন্য আর মাত্র চার থেকে পাঁচ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অবৈধ নির্মাণ নিজে থেকে না সরালে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ করবে।"
তার জন্য শর্ট টেন্ডারও ডাকা হয়েছে। বর্ষার আগেই এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চায় প্রশাসন।এখন দেখার, প্রশাসনের এই ৪-৫ দিনের সময়সীমার পর হলদিয়ার ফুটপাথ সত্যিই দখলমুক্ত হয় নাকি 'বুলডোজার' রাজনীতির জল গড়ায় অন্য দিকে।
বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলীর অভিযোগ, বিগত ১৫ বছরের ‘জঙ্গলরাজে’ গোটা হলদিয়া শহর একটি নোংরা স্তূপে পরিণত হয়েছে। গভর্মেন্ট কলেজের সামনে, রানীচকের প্রাইমারি স্কুলের সামনে ফুটপাথ দখল করে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য ঝুপড়ি ও কয়লার গাদা।

No comments