মাংস কাটা কসাইদের সতর্কীকরন ,প্রকাশ্যে আর জীবজন্তুর হত্যা করা চলবে না ।হলদিয়া মহকুমাশাসক করনে ছয় দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দিল শতাধিক সনাতনী গৌ সম্মান প্রভারি প্রচারক।প্রকাশ্যে গরু, মোষ, ষাঁড়, বাছুর হত্যা বন্ধের জন্য সরকারি ন…
মাংস কাটা কসাইদের সতর্কীকরন ,প্রকাশ্যে আর জীবজন্তুর হত্যা করা চলবে না ।হলদিয়া মহকুমাশাসক করনে ছয় দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দিল শতাধিক সনাতনী গৌ সম্মান প্রভারি প্রচারক।প্রকাশ্যে গরু, মোষ, ষাঁড়, বাছুর হত্যা বন্ধের জন্য সরকারি নির্দেশিকা বহাল রাখার দাবি জানাল । হলদিয়া এসডিও অফিসে ,হলদিয়ার ভবানীপুর থানার প্রায় শতাধিক সনাতনী গৌ সম্মান আহ্বান জানিয়ে ডেপুটেশন দিলেন ।বৃহস্পতিবার তাদের ছয় দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশনের নেতৃত্ব দেন বুদ্ধদেব আর্য পূর্ব মেদিনীপুর জেলা গৌ সম্মান অভিযানের প্রভারি, ছিলেন সুমন্ত দাস হলদিয়ার প্রভারি প্রচারক প্রমূখ। প্রসঙ্গত ,গরু, মোষ, ষাঁড়, বাছুর হত্যা নিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সরকার। আর এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করল সরকার। পশ্চিমবঙ্গ পশু হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০-এর উল্লেখ করে সরকারি নির্দেশিকায় লেখা হয়েছে, 'কোনও ব্যক্তি কোনও পশু (ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মোষ, মোষের বাচ্চা এবং মুষ্ক-ছেদিত মোষ) হত্যা করতে পারবেন না, যদি না তিনি সেই পশুটি হত্যার উপযুক্ত - এই মর্মে কোনও শংসাপত্র সংগ্রহ করেন। কোনও পৌরসভার চেয়ারম্যান বা কোনও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন সরকারি পশু চিকিৎসক যৌথভাবে পশুটি যে হত্যার উপযুক্ত সেই সংক্রান্ত শংসাপত্র প্রদান করতে পারেন, যদি তাঁরা উভয়েই এই বিষয়ে লিখিতভাবে একমত হন যে, কাজ ও প্রজননের ক্ষেত্রে পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি অথবা পশুটি বার্ধক্য, আঘাত, বিকৃতি বা অন্য কোনও দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়েছে,' তবেই সেটিকে হত্যা করা যাবে।তবে প্রকাশ্যে নয়, যে পশুর ক্ষেত্রে শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে, সেই পশুটিকে শুধুমাত্র কোনও পৌর কসাইখানা অথবা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত কোনও কসাইখানায় হত্যা করতে হবে। কেউ নিয়ম ভাঙলে আইন মোতাবেক তাঁর কী শাস্তি হবে, সেটাও জানানো হয়েছে। নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে তাঁর ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।

No comments