মহিষাদল বাজারে গভীর রাতে একাধিক মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্তকে পাকড়া করল পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শেখ মফিজুল (২৭)কে পাকড়াও করেছে মহিষাদল থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতকে হলদ…
মহিষাদল বাজারে গভীর রাতে একাধিক মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্তকে পাকড়া করল পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শেখ মফিজুল (২৭)কে পাকড়াও করেছে মহিষাদল থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতকে হলদিয়া মহকুমা আদালতে নিয়ে গেলে বিচারকতাকে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। মহিষাদলে প্রতিমা ভাঙ্গার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ মফিজুল (২৭)। তদন্ত অনুযায়ী পুলিশ জানায় ,অভিযুক্ত মদ্যপান করে অসাবধানবশত পথের ধারে মূর্তির উপরে পড়ে যায় ।যার ফলে মূর্তিটি ভেঙে যায়।অভিযুক্ত তার দোষ স্বীকার করেছে । অভিযুক্ত মফিজুল জানিয়েছে, “কোনও রাগ বা হিংসা থেকে এই ঘটনা করিনি। সেদিন মদের সঙ্গে গাঁজা খেয়ে রাস্তায় বারেবারে উলটে পড়েছিলাম। সেই সময় অসাবধানতাবশতঃ ঠাকুরের কাছেও পড়ে গিয়েছি। বারবার উঠতে গিয়ে আরও বেশী ক্ষতি হয়ে গেছে। এই ঘটনায় আমি অনুতপ্ত”।
প্রসঙ্গতঃ গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার গভীর রাতে মহিষাদলের কাঁঠাল পট্টি এলাকায় বেশ কিছু প্রতিমার মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। পরের দিন সোমবার সকালে ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ পেয়েই পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। এরপরেই গড়কমল্পুরের বাসিন্দা শেক মফিজুলকে পুলিশ পাকড়াও করে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানিয়েছেন, “একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ ওই অভিযুক্তকে ধরতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ওই যুবক গভীর রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বারবার রাস্তায় উলটে পড়ছিল। অভিযুক্তকে পাকড়াও করার পর সেও দাবী করেছে মাদকাশক্ত ছিল।সব কিছু খতিয়ে দেখে ওই যুবকের মধ্যে কোনও ধর্মান্ধতার মানসিকতা দেখতে পাইনি”।

No comments