অচৈতন্য দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল নিউ দিঘা এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ঝরনা পুইলান প্রামাণিক (৩৮)। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে। পুলিশ সুপার জানান, ধৃত তিনজন হল সল্লা বিবি, রহিমুদ্দিন গাজী এবং এমডি খইরুল।এ…
অচৈতন্য দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল নিউ দিঘা এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ঝরনা পুইলান প্রামাণিক (৩৮)। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে। পুলিশ সুপার জানান, ধৃত তিনজন হল সল্লা বিবি, রহিমুদ্দিন গাজী এবং এমডি খইরুল।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ওই মহিলার এক বান্ধবীসহ তিন সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৭ জানুয়ারি রাতে দিঘার একটি হোটেলে এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। ঝরনাদেবী দীর্ঘ সময় মুম্বইতে কর্মরত ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদ ছিল। সম্প্রতি পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ায় তাঁরা দিঘায় বেড়াতে আসেন। হোটেলে দু’টি ঘর বুক করেছিলেন তাঁরা।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে দুই পুরুষ ও দুই মহিলা বন্ধু মিলে একটি ঘরে বসে মদ্যপান করছিলেন। সেই সময় ঝরনাদেবীর ফোনে একটি কল আসে এবং তিনি কথা বলতে বলতে নিজের ঘরে চলে যান। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সঙ্গীরা উদ্বেগের সঙ্গে তাঁর ঘরে যান। ডাকাডাকিতে সাড়াশব্দ না মেলায় হোটেল কর্মীদের সহায়তায় দরজা খোলা হয়। দেখা যায়, ঝরনাদেবী অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনায় খুনের সন্দেহ প্রকাশ করে দিঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের ভাই। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার মিতুন দে জানান, "অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মহিলার তিন সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছি। ধৃতদের মধ্যে এক মহিলা ও দুই পুরুষ রয়েছেন। তাঁরা একসঙ্গে দিঘায় ঘুরতে এসেছিলেন। ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"

No comments