কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বলেন,পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি মৎস্যজীবী পরিবারের বাস। কিন্তু এদের বহুজন এখনো দারিদ্র্যের মধ্যে। তাই রাজ্য সরক…
কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বলেন,পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি মৎস্যজীবী পরিবারের বাস। কিন্তু এদের বহুজন এখনো দারিদ্র্যের মধ্যে। তাই রাজ্য সরকারের কাছে আমার আবেদন— মৎস্যজীবীরা যেন সব সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান।”এক কথায়, কাঁথি শহর বিশ্ব মৎস্যজীবী দিবসে হয়ে উঠেছিল মৎস্যজীবীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ভাবনার এক জমায়েতস্থল। উপস্থিত ছিলেন—রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরি,রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়,জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও পটাশপুরের বিধায়ক উত্তম বারিক,কাঁথি মহকুমা মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আমিন সোহেল,
কাঁথি সাংগঠনিক জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি শিবুরাম মাইতি,কাঁথি ৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ চন্দ্র বেজ,দিঘা–শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র,
সহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শতাধিক মৎস্যজীবী পরিবার।অনুষ্ঠানে উঠে আসে মৎস্যজীবীদের নানা দাবি-দাওয়া— সরকারি প্রকল্পে আরও সুবিধা, সহায়তা বৃদ্ধির আবেদন এবং জীবিকা সুরক্ষার কথা।
সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,
“চাকরির পেছনে না ছুটে বাড়ির পুকুরে মাছ চাষ করুন, মাসে ১৫ হাজার পর্যন্ত আয় সম্ভব। রাজ্য সরকার মৎস্যজীবীদের জন্য একাধিক প্রকল্প এনেছে।”সভাধিপতি উত্তম বারিকের মন্তব্য,
“মৎস্যমন্ত্রী মাছ খান না; কিন্তু মৎস্যজীবীদের উন্নতির জন্য সারাটা রাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন।”

No comments