অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কারা পেলেন ।চলতি বছরের ১৮ মে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন পশ্চিমবাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই অনুমোদন পায় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। ওই দিনই এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন রাজ্যের নারী ও শিশু ক…
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কারা পেলেন ।চলতি বছরের ১৮ মে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন পশ্চিমবাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই অনুমোদন পায় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। ওই দিনই এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।ভোটের সঙ্কল্পপত্রে বিজেপি ঘোষণা করে, মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে তারা। নির্বাচনে জেতার পর সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে শুভেন্দু প্রশাসন।
অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্মে পরিবারের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া আবেদনকারীর পরিবারের প্রধান-সহ সমস্ত সদস্যের ভোটার কার্ডের (এপিক) নম্বর, বিধানসভার নাম এবং অংশ (পার্ট) নম্বর লিখতে হবে। পাশাপাশি, ডিজিটাল রেশন কার্ড এবং প্যান কার্ড থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্য বিশদে দিতে হবে।সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি চালু করতে ইতিমধ্যেই ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ পোর্টাল চালু করেছে রাজ্য প্রশাসন। গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ফর্ম যাচাই করবেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও। শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহকুমাশাসক বা এসডিওকে। আবেদন পরীক্ষার কাজ শেষ হলে তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন জেলাশাসক বা ডিএম।অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের যে কোনও মহিলা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় আর্থিক সুবিধা পাবেন, এমনটা নয়। আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীরা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন না। পাশাপাশি, রাজ্য সরকার অনুমোদিত শিক্ষক, অশিক্ষক, পুর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের আওতার বাইরে রেখেছে শুভেন্দু প্রশাসন।
শুভেন্দু জানিয়েছেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক এবং আর্থিক ভাবে দুর্বল মহিলারা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র সঙ্গে যুক্ত হবেন। বর্তমানে যাঁরা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ পাচ্ছেন, তাঁদেরও নতুন করে ফর্ম পূরণ করতে হবে। ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে লক্ষ লক্ষ ‘বেনোজল’ মিশে রয়েছে। সে সব বাদ দিয়ে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের বিশুদ্ধ তালিকা তৈরি করা হবে। এমনটাই জানানো হয়েছে সরকারের তরফে।


No comments