শুক্রবার বেলা প্রায় ১টা ২৫ মিনিট নাগাদ এক জোরালো ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যদিও স্থায়ীত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড, কিন্তু কম্পনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মানুষজন ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।*যেখানে যেখানে কম্পন অনুভূত হয়েছে*প্রাথমিক খবর অন…
শুক্রবার বেলা প্রায় ১টা ২৫ মিনিট নাগাদ এক জোরালো ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যদিও স্থায়ীত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড, কিন্তু কম্পনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মানুষজন ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
*যেখানে যেখানে কম্পন অনুভূত হয়েছে*
প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, কলকাতার পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয়েছে নিচের এলাকাগুলোতে :
কলকাতা ও শহরতলি (হাওড়া, হুগলি), পূর্ব মেদিনীপুর ও উপকূলবর্তী এলাকা, *হলদিয়া শিল্পাঞ্চল সহ* দক্ষিণবঙ্গের জেলাসমূহ।
*জনজীবনে প্রভাব ও আতঙ্ক*
বেলা ১টা ২৫ মিনিটে যখন মানুষ দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনই হঠাৎ কেঁপে ওঠে পায়ের তলার মাটি। বহুতল আবাসন থেকে শুরু করে সাধারণ বাড়ি—সব জায়গাতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
*রাস্তায় ভিড় :* কম্পন টের পাওয়া মাত্রই কলকাতার অফিসপাড়া ও বসতি এলাকাগুলোতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দ্রুত বাড়ি ও অফিস ছেড়ে ফাঁকা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন কয়েক হাজার মানুষ।
শঙ্খধ্বনি ও প্রার্থনা :* গ্রামীণ এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের গ্রামগুলিতে মহিলারা অশুভ সংকেত এড়াতে এবং পরিবারকে সতর্ক করতে শঙ্খধ্বনি দিতে শুরু করেন। অনেক জায়গায় উলুধ্বনিও শোনা যায়।
*কেন্দ্র ও তীব্রতা নিয়ে ধোঁয়াশা*
ভূমিকম্পের তীব্রতা ঠিক কত ছিল বা এর উৎসস্থল (Epicenter) কোথায়, তা নিয়ে এখনও আবহাওয়া দপ্তর বা সিসমোলজি দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য হলেও ঝাঁকুনি ছিল বেশ শক্তিশালী। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

No comments