শুক্রবার খাস কলকাতায় তৃণমূল ভবনে চন্দ্রীমা ভট্টাচার্য ও কুনাল ঘোষের হাত ধরে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন ময়নার দাপুটে বিজেপি নেতা তথা জেলা কমিটির সদস্য চন্দন মণ্ডল। তিনবারের জেলা সম্পাদক চন্দনের দলত্যাগে ময়না বিধানসভা এলাকায় বিজেপির…
শুক্রবার খাস কলকাতায় তৃণমূল ভবনে চন্দ্রীমা ভট্টাচার্য ও কুনাল ঘোষের হাত ধরে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন ময়নার দাপুটে বিজেপি নেতা তথা জেলা কমিটির সদস্য চন্দন মণ্ডল। তিনবারের জেলা সম্পাদক চন্দনের দলত্যাগে ময়না বিধানসভা এলাকায় বিজেপির সাংগঠনিক ভিত কার্যত আলগা হয়ে গেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল ভবনে চন্দনের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে কুনাল ঘোষ রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন। কুনালের কথায়, "বিজেপির এই ভাঙনের মূলে রয়েছে আদি বনাম তৎকাল লড়াই। যারা মানুষের জন্য কাজ করছেন, তাঁদের মাথার ওপর বসে অসম্মান করা হচ্ছে। আত্মসম্মান বাঁচাতে মানুষ তৃণমূলের দিকে ঝুঁকছে।
দলত্যাগের পরেই ময়নার বর্তমান বিজেপি বিধায়ক অশোক ডিন্ডার বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগেছেন চন্দন মণ্ডল। ২০২১ সালে প্রার্থী পদের দৌড়ে থাকা চন্দনের অভিযোগ, এলাকায় বিধায়ককে খুঁজে পাওয়া যায় না। চন্দনের দাবি, জল যন্ত্রণা: ময়না নিচু এলাকা, প্রতি বর্ষায় মানুষ ভুক্তভোগী। কিন্তু পাঁচ বছরে বিধায়ক কোনও কাজ করেননি।তৃণমূলের দাবী, বর্তমান বিধায়ক এলাকার মানুষকে চেনেন না। চন্দনই এতদিন তাঁর সাংগঠনিক কাজ সামলেছেন। সরকারি প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ‘নৈতিক’ দলবদল। চন্দন মণ্ডলের স্ত্রী বর্তমানে বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধান। ময়নার অলিগলি চন্দনের নখদর্পণে। চন্দ্রীমা ভট্টাচার্যের মতে, "চন্দনের মতো পরিচিত মুখ আসায় দল আরও সমৃদ্ধ হবে।" অন্যদিকে, তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিত রায়ের উপস্থিতিতে এদিন ময়না ব্লকের একঝাঁক নেতা-কর্মীও তৃণমূলে যোগ দেন।

No comments