পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জয়ের নিরিখে সব রেকর্ড ভেঙে দিলেন হলদিয়ার বিজেপি প্রার্থী তথা শ্রমিক নেতা প্রদীপ বিজলি। প্রার্থী হওয়ার সময় থেকেই তিনি নিশ্চিত ছিলেন জিতবেন ।জনতার রায়ের পরে তা প্রমাণিত হলো । রেকর্ড ৪৯ হাজার ৮৪০ ভোটে তাপসীদ…
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জয়ের নিরিখে সব রেকর্ড ভেঙে দিলেন হলদিয়ার বিজেপি প্রার্থী তথা শ্রমিক নেতা প্রদীপ বিজলি। প্রার্থী হওয়ার সময় থেকেই তিনি নিশ্চিত ছিলেন জিতবেন ।জনতার রায়ের পরে তা প্রমাণিত হলো । রেকর্ড ৪৯ হাজার ৮৪০ ভোটে তাপসীদেবীকে পরাজিত করেছেন প্রদীপবাবু। জেলা জুড়ে বিজেপির যে ১৬ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে হলদিয়ার জয়ের ব্যবধানই সর্বোচ্চ। নির্বাচনী প্রচারে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন পঞ্চাশ হাজার ভোটে হারাবো । শ্রীমত স্বপ্নের সাধ পূরণ করলেন হলদিয়ার জনতা ।রাজনৈতিক দলবদল করেও শেষরক্ষা হল না তৃণমূলের তাপসী মণ্ডলের। জয়ের ‘হ্যাটট্রিক’ করার লক্ষ্য নিয়ে ময়দানে নামলেও, শেষ পর্যন্ত পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ঘাসফুল শিবির। এক সময়ের বাম দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলদিয়ায় ২০১১-র পর আর জয়ের মুখ দেখেনি তৃণমূল। এ দিন জয়ের পর প্রদীপ বিজলি এই জয়কে হলদিয়া বন্দরের শ্রমিকদের উৎসর্গ করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি নিজে বন্দরের শ্রমিক। বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার দেড় মাসের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়া পড়ে থাকা ইএসআই হাসপাতাল চালু করাই আমার লক্ষ্য।” পাশাপাশি, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে থমকে থাকা পুরভোট আগামী তিন মাসের মধ্যে করার আশ্বাসও দিয়েছেন নবনির্বাচিত এই বিধায়ক।আগামী তিন মাসের মধ্যে করার আশ্বাসও দিয়েছেন নবনির্বাচিত এই বিধায়ক।হলদিয়ার উদ্বাস্তু বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা রেখেই চলেছেন ।বিজেপি প্রার্থী হবার সময় যে সংকল্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেগুলো তিনি অক্ষর অক্ষরে পালন করবেন বলে জানিয়েছেন । নির্বাচনে বিজেপির হয়ে লড়ার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে দিলেন ।দীর্ঘদিন ধরে হলদিয়া বন্দরে কর্মরত ছিলেন । হলদিয়া বন্দর তার হাতের তালুর মত চেনা । তাই হলদিয়া বন্দরের উন্নয়ন করাই বিজেপির বিধায়ক প্রদীপ বিজলির লক্ষ্য ।

No comments