হলদিয়ার ভবানীপুর থানার বাঁশখানা জালপাই এলাকায় এক বিবাহিত মহিলার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার খুনি। খুনের মূল অভিযুক্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। খুনের দীর্ঘ ৬ দিন পরে পুলিশের জালে সঞ্জয় মান্না। মৃত মহিলার নাম টুম্পা দত্ত (৩০)।খুন…
হলদিয়ার ভবানীপুর থানার বাঁশখানা জালপাই এলাকায় এক বিবাহিত মহিলার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার খুনি। খুনের মূল অভিযুক্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। খুনের দীর্ঘ ৬ দিন পরে পুলিশের জালে সঞ্জয় মান্না। মৃত মহিলার নাম টুম্পা দত্ত (৩০)।খুনির বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং এলাকায় কোকনাগুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। ভবানীপুর থানা ও ভগবানপুর থানা যৌথ প্রচেষ্টায় খুনিকে জালে আয়ত্ত করে। খুনের পর কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পর ভবানীপুর থানার পুলিশ ওই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ করে। অবশেষে পুলিশের জালে খুনি।
জানা যায়, গত দু'বছর ধরে ওই মহিলার সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সঞ্জয় মান্না। অবশেষে টুম্পা সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে সঞ্জয় মানতে নারাজ। এক ফাঁকা জায়গায় নিয়ে এসে তাকে জোর করে। তাতেও না রাজি হলে পেছন থেকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তার গলায়। মহিলাটি রক্তাক্ত অবস্থা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে হলদিয়ার ভবানীপুর থানার বাঁশখানা জালপাই এলাকায় এক বিবাহিত মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। এদি সাড়ে ৮টা নাগাদ হলদি নদী পাড়ের পাকা সড়কের কাছে মহিলার দেহ উপুড় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পথচারীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। প্রাথমিক তদন্তে এটি খুনের ঘটনা বলে পুলিসের সন্দেহ। ওই এলাকাতেই মহিলার গলায় কেউ ধারালো অস্ত্র চালিয়ে খুন করেছে। ফলে ঘটনাস্থ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল বলে জানান হলদিয়ার বাসিন্দারা । খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিস সুপার পার্থ ঘোষ ও ভবানীপুর থানার ওসি। দীর্ঘ 6 দিন ধরে পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত করে খুনিকে ধরে ফেলে।

No comments